শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
বরগুনায় বৃষ্টি নেই আউশ বীজতলা ফেটে চৌচির

বরগুনায় বৃষ্টি নেই আউশ বীজতলা ফেটে চৌচির

Sharing is caring!

বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনা সহ দেশের দক্ষিনাঞ্চলে বৃষ্টি না হওয়ায় তৈরী আউশ বীজতলা ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিকর উপর নির্ভরশীল কৃষকরা প্রতিবছরের মত এ বছরও আউশের হাইব্রিড,উফসি,ও স্হানীয় জাতের বীজতলা তৈরী করে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে জেলায় চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩হাজার, ৭শ ৩৬ হেক্টর জমিতে আউশ বীজতলা তৈরী করা হয়েছে। একটানা ৭-৮ মাস যাবৎ কোন বৃষ্টির দেখা নাই।

বৃষ্টির উপর বেশী ভরসা করেই বীজতলা তৈরী হয়ে থাকে। রোদের তীব্র প্রখরতায় আউশ বীজ ফেটে চৌচির হয়ে যাওযায় কৃষকরা চরম দূশ্চিন্তায় পড়েছে।বরগুনা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,আগামী এক সপ্তাহের মধ্য বৃষ্টি না হলে বীজতলা থাকবেনা। খাল-জলাশয় শুকিয়ে পানি শূন্য হয়ে গেছে। নদীর পানি লবণাক্ত হওয়ায় বীজ তলায় নদীর পানিও ব্যাবহার করা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে কৃষকের সাথে কথা বলে জানাগেছে, শুধু আউশ বীজতলা নয় বৃষ্টি না হওয়ায় অন্যান্য ফসল যেমন,হলুদ,মরিচ,পাঠ,শাকসবজি ক্ষেতও শুকিয়ে যাচ্ছে। নদী থেকে পানি এনে সেচ দেবার ব্যাবসাও বর্তমানে নেই লবণাক্ততার কারনে। বেতাগী উপজেলার ঝোপখালী গ্রামের কৃষক নুরুল আলম বলেন,আমি ২০ শতাংশ জমিতে আউশ বীজতলা করেছি,খড়ার কারনে লেদা পোকা এসেছে বীজে,নদী থেকে যে পানি আসছে তা লবন পানি।

বৃষ্টি না হলে বীজতলা রক্ষা করা যাবেননা। ইতোমধ্যে অনেকের বীজতলা পুড়েগেছে। বরগুনার চালিতাতলী গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন,আমি ১২ শতাংশ জমিতে বীজতলা করেছি,খড়ায় খাল শুকিয়ে গেছে। একটি মেশিন এনে পুকুরের পানি দিয়ে বীজতলায় সেচ দিচ্ছি।কৃষক মোস্তাফা বলেন,সকলের পক্ষে মেশিন দিয়ে সেচ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।

বৃষ্টি না হলে অল্প দিনের মধ্যই বীজতলা পুড়ে যাবে। বরগুনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এস,এম,বদরুল আলম বলেন,বৃষ্টি না হলে আউশ বীজতলার ক্ষতি পুষিয়ে উঠা অসম্ভব হবে। কেউ কেউ পুকুরের পানি বীজতলায় ব্যাবহার করলেও তাদের সংখ্যা কম।

সাধারন এই মৌসুমে বৃষ্টির উপর নির্ভর করেই আউশ বীজতলা তৈরী করে কৃষক। সঠিক সময় বীজ রোপন করতে না পারলে আউশ উৎপাদনও ব্যাহত হবার আশংকা করছেন তিনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © crimeseen24.com-2024
Design By MrHostBD